যু দ্ধ বাধলে ভারতের পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বাধলে বাংলাদেশ ভারতের পক্ষে থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশরয়েছে। সবখানে ভারত আমাদের সহযোগিতা করে। ভারত যখন আক্রান্ত হবে, তখন নিশ্চয়ই আমরা ভারতের সঙ্গে থাকব।’ গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে সাংবাদিকদেরমুখোমুখি অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কী—জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘নয়াদিল্লিতে সাম্প্রতিক সফরের সময়ে ভারতীয় সাংবাদিকেরাও একই প্রশ্ন করেছিলেন। আমি বলেছি, ভারত যখন আক্রান্ত হবে, তখন নিশ্চয়ই আমরা ভারতের সঙ্গে থাকব।’ চলমান অবস্থায় বাংলাদেশের কোনো প্রস্তুতি

রয়েছে কি না—জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের বর্ডার নেই। ১ হাজার ২০০ মাইল দূরে তাদের অবস্থান। তাদের হুংকার, হাঁকডাকে আমাদের কিছু আসে-যায় না। আমরা তাদের ১৯৭১ সালেপরাস্ত করে বিদায় করে দিয়েছি। তাদের কথা চিন্তাও করতে চাই না, স্মরণও করতে চাই না।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমােন্ত হত্যা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার। এখন বিজিবি ও বিএসএফের সুসম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশসেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শ্যামল সরকার। এতে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শামীম চৌধুরী, বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।আরো পড়ুন>> কুঁজওয়ালা চারপেয়ে প্রাণীটিকে দেখতে হলে ঘাড় উঁচু করতে হয়। এরা বেশ শান্তশিষ্ট স্বভাবের, তবে হাঁক দিলে অপরিচিত ডাকে গা কিছুটা কাঁটা দিয়ে ওঠে। মরুভূমির জাহাজখ্যাতএই উট দেখা গেল রাজধানীর গাবতলীর পশুর হাটে। দীর্ঘ গ্রীবার এ প্রাণীর দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। প্রতিবছর কোরবানির ঈদ এলেই গাবতলীর পশুর হাটে ওঠে উট আর দুম্বা। কোরবানির পশু হিসেবে কেউ কেউউট-দুম্বা বেছে নেন। তবে সংখ্যায় তা খুবই অল্প। হাটের ব্যাপারীরা জানান, ভারতের রাজস্থান, গুজরাটের মরুভূমি এলাকা এবং হরিয়ানা থেকে উট ও দুম্বা আমদানি করা হয়। কখনো উট আসে পাকিস্তান থেকেও।

সীমান্তবর্তী জেলা যশোর, কুড়িগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থলবন্দর হয়ে উটগুলো বাংলাদেশে আসে। প্রতিবছর হাটে গরু, খাসি, মহিষের পাশাপাশি উট ও দুম্বারও ক্রেতা থাকে। গতকাল মঙ্গলবার গাবতলীর পশুর হাটে দেখাযায়, চারটি উট উঠেছে। এর একটি বিক্রি হয়েছে ৮ লাখ টাকায়। উটগুলো কখনো বসে, কখনোবা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। উটগুলো থেকে একটু দূরেই বাঁধা আছে সাতটি দুম্বা। এরাও শান্তশিষ্ট। তবে হাত দিয়ে ছুঁতে গেলেইএরা প্যাঁচানো শিং নিয়ে এগিয়ে আসে। একেকটির দাম হাঁকা হচ্ছে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। গাবতলীর পশুর হাটে এবার ওঠা উট ও দুম্বার মালিক হচ্ছেন ব্যাপারী মো. আমজাদ হোসেন। তিনি প্রথম আলোকেবলেন, কোরবানি উপলক্ষে এই বছর গাবতলীতে পশু আসা শুরু হলেও বিকিকিনি তেমনটা শুরু হয়নি। তাঁর খামারের তিনটি উট পাকিস্তান থেকে আনা। একেকটির দাম পড়বে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা। উট-দুম্বা নিয়েউচ্ছ্বাস দেখা গেল হাট ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে। গতকালও সকালে এই প্রাণী দুটির আশপাশে ছিল মানুষের জটলা। কেউ মুঠোফোনে সেলফি তুলছেন, কেউ ছুঁয়ে দেখছেন প্রাণী দুটিকে। তেমনই একজন মিরপুরবাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মো. আনিস মাহমুদ। ফেসবুক লাইভে গিয়ে তিনি বন্ধুদের উটের কথা জানাচ্ছিলেন। বললেন, ‘উট তো মরুভূমির প্রাণী। এটা সচরাচর দেখাও যায় না। আমি জীবনে এই প্রথম উট দেখলাম। তাই ফেসবুকের বন্ধুদেরও শেয়ার করলাম।’

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *